BAMCEF UNIFICATION CONFERENCE 7

Published on 10 Mar 2013 ALL INDIA BAMCEF UNIFICATION CONFERENCE HELD AT Dr.B. R. AMBEDKAR BHAVAN,DADAR,MUMBAI ON 2ND AND 3RD MARCH 2013. Mr.PALASH BISWAS (JOURNALIST -KOLKATA) DELIVERING HER SPEECH. http://www.youtube.com/watch?v=oLL-n6MrcoM http://youtu.be/oLL-n6MrcoM

Welcome

Website counter
website hit counter
website hit counters

Sunday, June 16, 2013

মমতার ষড়যন্ত্রেই সিআইডি হানা, অভিযোগ গৌতমের

মমতার ষড়যন্ত্রেই সিআইডি হানা, অভিযোগ গৌতমের

মমতার ষড়যন্ত্রেই সিআইডি হানা, অভিযোগ গৌতমের
এই সময়: সিআইডি-র নোটিস পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠলেন সিপিএম নেতা তথা প্রাক্তন আবাসনমন্ত্রী গৌতম দেব৷ তবে ২১ জুন সিআইডি-র সদর দপ্তর ভবানী ভবনে তিনি হাজির হবেন কি না, শনিবার তা স্পষ্ট করেননি এই ডাকাবুকো সিপিএম নেতা৷ তিনি বলেন, 'দু-এক দিনের মধ্যেই আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনায় বসব৷ তার পর পার্টিতে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হবে আমি সিআইডি-র কাছে যাব কি না৷' প্রাক্তন আবাসনমন্ত্রীর এই মন্তব্যে পরিষ্কার, সিআইডি-কে এড়াতে তিনি আদালতে যাওয়ার রাস্তা খুঁজছেন৷ তা হলে কি তিনি সিআইডি-র মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছেন? গৌতমবাবুর জবাব, 'মোটেও না৷ আমার বিরুদ্ধে একটা কাগজও সিআইডি দেখাতে পারবে না৷ আমি নিশ্চিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যক্তিগত ভাবে আমাকে সিআইডি-র জালে জড়াতে উদ্যোগী হয়েছেন৷ এই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা রাজনৈতিক পথেই হওয়া উচিত৷' তবে তিনি সিআইডি-র কাছে যাবেন না, এ কথা স্পষ্ট করে বলেননি প্রাক্তন আবাসনমন্ত্রী৷

এ দিকে, আবাসনের জমি কেলেঙ্কারির অভিযোগ গৌতমবাবু ফুত্কারে উড়িয়ে দিলেও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত জ্যোতি বসুর পুত্র চন্দন বসু এ দিন জানিয়েছেন, 'অনিয়ম কিছু হয়ে থাকলে তা তত্কালীন সরকার বলতে পারবে৷ আমি কিছুই জানি না৷ আমি কোনও সুবিধাও নিইনি৷' চন্দনবাবুকে সুবিধা দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন গৌতমবাবুও৷ চন্দনবাবু এ দিন বলেন, 'গৌতমবাবুর সঙ্গে আমার বাবার ঘনিষ্ঠতা ছিল৷ কিন্ত্ত আমার সঙ্গে ছিল না৷ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে একজন ব্যবসায়ী হিসেবেই আমি কাজ করেছি৷ জ্যোতি বসুর পুত্র বলে কোনও বাড়তি সুবিধা নিইনি৷'

চন্দনবাবু আত্মপক্ষ সমর্থনে এ কথা বললেও বর্তমান সরকারের অভিযোগ কিন্ত্ত তিনি নস্যাত্ করেননি৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের অভিযোগ, বাম জমানায় বেঙ্গল গ্রিনফিল্ড নামে আবাসনে জন্য যৌথ উদ্যোগের যে কোম্পানি তৈরি হয়, যার প্রধান অংশীদার চন্দনবাবু, সেই সংস্থাকে আবাসন তৈরির জন্য সস্তায় জমি দেওয়া হয়েছিল৷ যার ফলে সরকারের সংস্থা আবাসন পর্ষদের ২০ কোটি টাকা লোকসান হয়৷ সেই টাকা গেল কোথায়? চন্দনবাবুর জবাব, 'আমি বলতে পারব না৷ আমি তো সরকারে ছিলাম না৷ যাঁরা সরকার চালিয়েছেন, তাঁরা বলতে পারবেন৷' প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পুত্রের এই বক্তব্য নিঃসন্দেহে গৌতমবাবুদের অস্বস্তি বাড়িয়ে দেবে৷ তবে দক্ষিণ শহরতলির যে জমির দাম নিয়ে বিতর্ক, চন্দনবাবুর দাবি, ওই জমি আর কোনও উদ্যোগপতি ব্যবহার করতে চাননি৷ তিনিই প্রথম ওই জমিতে আবাসন গড়তে এগিয়ে গিয়েছিলেন৷ তাঁর আক্ষেপ, 'এ জন্যই কি আমাকে আজ হেনস্থা হতে হচ্ছে?' তাঁর বক্তব্য, 'আরও অনেক ব্যবসায়ীকে সরকার জমি দিয়েছে৷ আমার সংস্থাকে নিয়ে এত কথা কেন?' এ দিন গৌতমবাবুও বলেন, ওই জমিতে কোনও অনিয়ম হয়নি৷ জমিটার দাম ছিল আট কোটি টাকা৷ কেউ নিতে চাইছিল না৷ আমরা শেষ পর্যন্ত ১৬ কোটি টাকায় জমিটা বিক্রি করেছি৷ লোকসানের প্রশ্নই ওঠে না৷

সরকারি সূত্রের খবর, জমি কেলেঙ্কারি নিয়ে আবাসন দফতরের সচিব তালতলা থানায় যে অভিযোগ দায়ের করেছেন, তাতে গৌতমবাবু ছাড়াও আরও যে ১৭ জনের নাম আছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন চন্দনবাবু৷ আবাসনমন্ত্রী ছাড়াও গৌতমবাবু ছিলেন আবাসন পর্ষদের চেয়্যারম্যান৷ আর চন্দনবাবু হলেন বেঙ্গল গ্রিনফিল্ডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর৷ এ দিন তিনি জানান, সিআইডি তাঁর অফিসের কয়েকজনকে জিজ্ঞাসা করেছে৷ সিআইডি-র অতিরিক্ত ডিজি শিবাজি ঘোষ জানিয়েছেন, চন্দনবাবুকেও তাঁরা প্রয়োজনে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন৷ এ দিন চন্দনবাবু বলেন, 'আমি প্রস্ত্তত৷ তবে প্রয়োজনে আদালতের দ্বারস্থ হব৷ আমি কোনও অন্যায় করিনি৷ সরকারকে নিয়মিত ডিভিডেন্ট দিয়েছি৷' এই সঙ্গেই তিনি যৌথ উদ্যোগের আবাসন নিয়ে সরকারের বিশেষ অডিটের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন৷ তিনি বলেন, 'সকারের তো সব খতিয়ে দেখাই উচিত৷ আমাদের কাছে যে কাগজপত্র চেয়েছে, সব দিয়েছি৷'

বাম জমানায় ন'টি বেসরকারি কোম্পানির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সব শ্রেণির মানুষের জন্য আবাসন গড়তে উদ্যোগী হয়েছিল বামফ্রন্ট সরকার৷ এই ন'টি কোম্পানির একটি হল চন্দনবাবু ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগের প্রকল্প বেঙ্গল গ্রিন ফিল্ড লিমিটেড৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর যৌথ উদ্যোগের কোম্পানিগুলির কাজকর্ম খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেন৷ অর্থ দন্তরের বিশেষ অডিটে ধরা পড়ে বেঙ্গল গ্রিন ফিল্ড কোম্পানিকে সস্তায় জমি দেওয়ায় সরকারি সংস্থা আবাসন পর্ষদের ২০ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে৷ এ ছাড়াও চন্দনবাবুর ওই কোম্পানির বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তারা বাড়তি মুনাফা করার লক্ষ্যে গরিব মানুষের আবাসন কম সংখ্যায় বানিয়ে বেশি দামের ফ্ল্যাট বানিয়ে বিক্রি করেছেন৷ এই সম্পর্কে চন্দনবাবু বলেন, 'আমি সস্তায় জমি চেয়েছিলাম, কিন্ত্ত পাইনি৷' তাঁর প্রশ্ন, আরও অনেক কোম্পানিকে সরকার জমি দিয়েছে৷ শুধু আমার কোম্পানি নিয়ে কেন সিআইডি তদন্ত হচ্ছে৷

No comments:

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...