BAMCEF UNIFICATION CONFERENCE 7

Published on 10 Mar 2013 ALL INDIA BAMCEF UNIFICATION CONFERENCE HELD AT Dr.B. R. AMBEDKAR BHAVAN,DADAR,MUMBAI ON 2ND AND 3RD MARCH 2013. Mr.PALASH BISWAS (JOURNALIST -KOLKATA) DELIVERING HER SPEECH. http://www.youtube.com/watch?v=oLL-n6MrcoM http://youtu.be/oLL-n6MrcoM

Welcome

Website counter
website hit counter
website hit counters

Thursday, December 18, 2014

Taslima blast SEX jihad:১৫০ জন মেয়েকে সেদিন খুন করেছে ইসলামি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইসিস, কারণ ওই মেয়েরা সন্ত্রাসীদের বিয়ে করতে চায়নি। যৌন জিহাদের নামে মেয়েদের এতদিন যথেচ্ছ ভোগ করেছে সন্ত্রাসীরা। তাদের এখন বিয়ের শখ হয়েছে। 'আল্লাহু আকবর' বলে চেঁচিয়েছে আর জবাই করেছে বিয়েতে রাজি না হওয়া মেয়েদের। ১৫০ জন মেয়ে এখন ইরাকের গণকবরে।


১৫০ জন মেয়েকে সেদিন খুন করেছে ইসলামি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইসিস, কারণ ওই মেয়েরা সন্ত্রাসীদের বিয়ে করতে চায়নি। যৌন জিহাদের নামে মেয়েদের এতদিন যথেচ্ছ ভোগ করেছে সন্ত্রাসীরা। তাদের এখন বিয়ের শখ হয়েছে। 'আল্লাহু আকবর' বলে চেঁচিয়েছে আর জবাই করেছে বিয়েতে রাজি না হওয়া মেয়েদের। ১৫০ জন মেয়ে এখন ইরাকের গণকবরে।

এদিকে পাকিস্তানের ইসলামি সন্ত্রাসীরা ১৩২ জন শিশু কিশোরকে হত্যা করেছে পরশু। হত্যা করার সময় 'আল্লাহু আকবর' বলে চেঁচিয়েছে। আল্লাহু আকবর মানে আল্লাহ মহান।

চৌদ্দশ বছর যাবৎ কী হচ্ছে সে না হয় বাদ দিচ্ছি। গত কয়েক মাসের দিকেই তাকাই। ইসলামি সন্ত্রাসীরা হাজার হাজার মানুষকে আল্লাহ মহান, আল্লাহ শ্রেষ্ঠ, আল্লাহ দয়ালু আল্লাহ এক বলে বলে নিরীহ মানুষদের জবাই করেছে। তাদের মাথা লক্ষ করে গুলি করেছে। মাথার খুলি নিয়ে আনন্দ উৎসব করেছে। এসব বর্বরতা আর নৃশংসতা আল্লাহকে ভালোবেসেই করেছে। এখনও করছে।

কোনো একটা মতবাদ বা আদর্শ বা বিশ্বাসের কারণে যদি মানুষ মানুষকে হত্যা করে, তবে সেই আদর্শ বা মতবাদের চুলচেরা বিশ্লেষণ হয়, সেই মতবাদকে নিন্দা করা হয়, মানবতার স্বার্থে এমনকী নিষিদ্ধও করা হয়। যেমন, নাৎসি মতবাদ। পৃথিবী জুড়ে আজ নাৎসি মতবাদ ঘৃণিত এবং নিষিদ্ধ।

কমুনিজমের নামে বা কমুনিস্ট আদর্শের কারণে কমুনিস্টরা মানুষ মেরেছে। লোকে তখন শুধু কমুনিস্টদের দোষ দেয়নি। কমুনিজম্কেও দোষ দিয়েছে। কমুনিজমের মধ্যেই গলদ খুঁজে পেয়েছে।

কিন্তু ইসলামি সন্ত্রাসীরা যখন ইসলামের নামে বা ইসলামের আদর্শের কারণে মানুষ মারে, অধিকাংশ লোক তখন শুধু সন্ত্রাসীদের দোষ দেয়, ইসলামকে দোষ দেয় না। ইসলামের সমালোচনা তো করেই না, বরং বলে ইসলাম ভালো, ইসলাম শান্তির ধর্ম,ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা করেছে সন্ত্রাসীরা ইত্যাদি ইত্যাদি। এই ভন্ডামোটা, ন্যাকামোটা, হিপক্রিসিটা যতদিন চলবে ততদিন সন্ত্রাসীরা মনের সুখে সন্ত্রাস চালিয়ে যেতে পারবে, সন্দেহ নেই।

ইসলাম যে সন্ত্রাস করতে বলেছে, তার প্রমান ভদ্রলোকদের কাছে না থাকলেও সম্ত্রাসীদের কাছে অবশ্যই আছে। তারা ইসলাম মেনেই মানুষ হত্যা করছে। ইসলামে সম্পূর্ণ বিশ্বাসী লোকদের আজ না হোক কাল সন্ত্রাসে বিশ্বাস করতেই হবে।

ভদ্রলোকদের কাছে প্রমাণ নেই এ কথা বলা ঠিক নয়। কোরান এবং হাদিসের গ্রন্থগুলো মোটেও দুর্লভ নয়. এসবের পাতায় পাতায় আছে একে মারো ওকে ধরো, তাকে হত্যা করোর অসংখ্য আদেশ এবং উপদেশ. পাতা উল্টোলেই প্রমাণ।

সন্ত্রাসকে ত্যাগ করতে চাইলে ইসলামকে ত্যাগ করা ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই। ইসলাম এমনই একটি ধর্ম যে এটিকে বিশ্বাস করলে এটির একশ ভাগকেই বিশ্বাস করতে হয়। কারণ কোরানের সবকিছু স্বয়ং আল্লাহতায়ালার কাছ থেকে এসেছে। কোরানের ভালোগুলো বিশ্বাস করবে শুধু, খারাপগুলো, সন্ত্রাসগুলো, মিথ্যেগুলো, অন্যায়গুলো, অবিচারগুলো, বৈষম্যগুলো করবে না, তা তো হবে না। আল্লাহর সব বাক্য, সব শব্দ, সব অক্ষর বিশ্বাস না করলে তুমি মুসলমানই নও।

No comments:

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...